গল্পের নাম: "ছায়া" ছোট্ট রাহুলের চোখে তার বাবা ছিলেন এক অতিমানব। গ্রামের স্কুলে পড়া রাহুল জানতো, তার বাবা হাশেম মিয়া কত কষ্ট করে কাজ করেন। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, দিনে পর দিন খেটে যাচ্ছেন শুধু যাতে রাহুল মানুষ হয়। শহরের স্কুলে পড়াবেন, ডাক্তার বানাবেন—এই ছিলো তাঁর স্বপ্ন। রাহুল প্রতিদিন স্কুল শেষে বাবার দোকানে যেত। একটা ছোট টং দোকান, যেখানে বিস্কুট, চানাচুর, সাবান, তেল সবই মেলে। বাবার মুখে চিরকাল একটাই কথা শুনেছে: "তুই বড় হ, রাহুল। আমি চাই তুই এমন এক জায়গায় দাঁড়াস, যেখান থেকে তোর ছায়াও আমাকে গর্বিত করবে।" সময় গড়াল। রাহুল শহরে কলেজে পড়তে গেল। বাবার রোজগার তখনও একই রকম, কিন্তু চাহিদা বেড়ে গেছে। অনেক সময় বাবার পাঠানো টাকা দেরি হলে রাহুল বিরক্ত হতো। বন্ধুদের মতো ভালো জামা-কাপড়, ফোন—সব কিছুই চেয়েছে সে। বাবার কষ্টটা বুঝে উঠতে পারেনি তখন। একদিন রাতে ফোনে রাহুল বাবার উপর চিৎকার করে বলেছিল, "তুমি সবসময় বলো স্বপ্ন দেখতে, অথচ আমার প্রয়োজনেই তো সাড়া দিতে পারো না!" ওপাশে নিঃশব্দ। কেবল হালকা কাশির শব্দ, তারপর বাবার গলা: "তোর স্বপ্ন পূরণ করতেই ত...